ডেস্ক রিপোর্ট-বাংলা টুডে
গুম-হত্যার মামলা-
সিটিটিসির সাবেক প্রধানসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান মো. আসাদুজ্জামানসহ চার সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রোববার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলায় আসামি ৫, গ্রেপ্তার ১
এই মামলায় মোট আসামি পাঁচজন। আসাদুজ্জামান ছাড়াও যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, তাঁরা হলেন সিটিটিসির সাবেক পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক মো. মেজবাহ উদ্দিন আহাম্মেদ এবং সাবেক এসআই তৌহিদুল ইসলাম সুমন।
মামলার অপর আসামি সিটিটিসির সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ২২ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। ওই দিন গ্রেপ্তার আসামি ইশতিয়াক আহমেদকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পরোয়ানাভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখার অভিযোগ
রোববার ট্রাইব্যুনালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নেন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে মো. ফখরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, মো. দ্বীন ইসলাম, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন এবং মো. সুরুজ্জামানকে সিটিটিসির সপ্তম তলায় একটি গোপন বন্দিশালায় গুম করে রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একই সময়ে গাজীপুর মহানগরের ইবনে মাসউদ মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল হোসেন আল-আমিনকে গুম করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
মামলায় এসব ঘটনার সঙ্গে আসামিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেবে ট্রাইব্যুনাল।
BANGLA TODAY আজকের বাংলা