ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ
এ দুই বিভাগীয় বন কর্মকর্তাই বাঘের বিপদ কমিয়ে আনতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া, নৌযানের সংখ্যা বাড়ানো, টহল বাড়ানো ও স্থানীয়ভাবে সচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন।
‘হরিণের জন্য পাতা এসব ফাঁদ বাঘের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ৪ জানুয়ারি যে বাঘটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেটা বনজীবীদের চোখে পড়ায় জানতে পেরেছিল বনবিভাগ, না হলে জানতে পারতনা।
এমনকি হরিণ আটকা পড়লেও হয়তো জানতে পারতোনা বন বিভাগ।এসব কারনে প্রতিনিয়ত উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে’
হরিণের জন্য পাতা ফাঁদকে বাঘের জন্য অন্যতম হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে সরকারের কর্মপরিকল্পনা টাইগার অ্যাকশন প্ল্যানে। এতে বলা হয়েছে, অনেক বনজীবী আয়ের দ্বিতীয় উৎস হিসেবে বনজ সম্পদ সংগ্রহের পাশাপাশি হরিণ শিকারে ফাঁদ পাতেন। স্থানীয় বাজারে হরিণের মাংসের চাহিদা থাকায় হরিণ শিকার বাড়ছে।
জানতে চাইলে প্রাণিবিদ্যা ও বাঘবিশেজ্ঞরা জানায় ‘হরিণের জন্য পাতা এসব ফাঁদ প্রতিনিয়ত বাঘের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪ জানুয়ারি যে বাঘটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেটা বনজীবীদের চোখে পড়ায় বনবিভাগ জানতে পারে। না হলে ওই বাঘটির পরিনতি আরো খারাপ হতে পারতো।
২০২৩ সালে এক গবেষণায় হরিণের পর্যাপ্ত সংখ্যার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে যাতে প্রতি সপ্তাহে বাঘের জন্য ৫০ বা ৬০ কেজি ওজনের একটি হরিণ প্রয়োজন হয়; কিন্তু এখন যে হারে হরিণ শিকারে ফাঁদ পাতা হচ্ছে, তাতে একটা উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।





